রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ১১ জনের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। শনিবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউটে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা জানান ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,দগ্ধ এই ৫ জনের শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তারা কেউ শঙ্কামুক্ত নয়। তবে বাকি ৬ জনকে ছেড়ে দেয়া হবে।ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিৎসায় ১৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।আহতদের চিকিৎসার সকল খরচ সরকার বহন করবে বলেও জানান তিনি। এদিকে, বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহত ৪৬ জনের মধ্যে ৪৩ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।জেলা প্রশাসন বলছে, শনাক্ত না হওয়া বাকি ৩ জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর ডিএনএ নমুনা মিললে তাদের স্বজনদের কাছে হন্তান্তর করা হবে। এদের মধ্যে একজনের মরদেহ বার্ন ইনিস্টিটিউটে এবং বাকি দুই জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজহাসপাতালের মর্গে রয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক ৫ জন এখনো শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।এছাড়া ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন আরও ২ জন। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দু’জন ছাড়াও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আটজন ভর্তি আছেন।