ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে নার্সিং শিক্ষার্থীরা তাদের স্নাতক মর্যাদা দাবি এবং ঢাকায় আন্দোলনরত ডিপ্লোমা নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৫ মে) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী পৌরশহরের চৌরাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে মহাসড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে, যা সাধারণ যাত্রী ও রোগীবাহী গাড়ির যাত্রীদের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করে।
দুই ঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তারা মহাসড়ক থেকে উঠে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ন্যায্য দাবির পক্ষে আন্দোলন করছি। ঢাকায় আমাদের সহপাঠীদের ওপর পুলিশের হামলা হয়েছে, তাদের রক্ত ঝরেছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সকে স্নাতক মর্যাদা দিতে হবে।’
বিক্ষোভের খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক হাওলাদার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাজেদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের দাবি শুনেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে তারা সড়ক ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক হাওলাদার বলেন, ‘তাদের দাবিগুলো নিয়ে আমরা আন্তরিকভাবে আলোচনা করব এবং সড়ক যাতে দ্রুত স্বাভাবিক হয় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম জানান, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তা ছেড়ে দিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’