ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স মুভমেন্ট (হামাস) এর সামরিক শাখা ইজ আল-দিন আল-কাসাম ব্রিগেড বুধবার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যে তারা , প্রকাশিত ভিডিওতে দেখাযাচ্ছে গাজা শহরের প্রবেশকারী দখলদার সৈন্য এবং তাদের যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ভিডিওটিতে একজন যোদ্ধাকে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ককে বোমা ফেলতে দেখা গেছে, ভিডিওর অন্য অংশে দেখাযাচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র (RPG) দিয়ে সামরিক যানকে ধ্বংস করছে। কাসাম ব্রিগেডের নতুন এ ভিডিওতে দেখাযাচ্ছে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা ইসরায়েলি সৈন্যদের কাছাকাছি থেকে গুলি করে হত্যা করছে। বুধবার ভোরবেলা কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা করার পর, যৌথ মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে গাজা উপত্যকায় মানবিক যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এ ভিডিও প্রকাশ করে হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেড । ইসরায়েল এবং হামাস বুধবার প্রথম প্রহরে চার দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, এই চুক্তির অংশ হিসাবে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ৫০ জন ইসরায়েলি নারী-শিশু জিম্মিকে ও বিনিময়ে ইসরাইল, ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী ১৫০ ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের মুক্তি দেবে। মানবিক এ যুদ্ধবিরতি বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে শুরু হতে চলেছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যোবেক্ষকগণ উদ্বেগ প্রকাশ করছে যে, যুদ্ধবিরতি শুরুর আগে ইসরায়েল গাজায় বোমা হামলার অভিযান আরও জোরদার করতে পারে৷ ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে চলা আলোচনার পরে যুদ্ধবিরতির চুক্তিটিকে সমর্থন করেছে ইসরাইল, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের মন্ত্রীরা এ সভায় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেছে বলে জানা গেছে৷। শেষ পর্যন্ত, মন্ত্রিসভার ৩৮ সদস্যের মধ্যে মাত্র তিনজন যুদ্ধবিরতির বিপক্ষে ভোট দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে যে, প্রতি অতিরিক্ত ১০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে যুদ্ধবিরতি বিরতি এক দিন করে বাড়ানো যেতেপারে। বিবৃতিতে জিম্মিদের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ৪ দিনের এ যুদ্ধবিরতি বাড়ানো যেতে পারে আশা প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক পর্যোবেক্ষকগণ।