লক্ষ্য ছিলো মাত্র ১১১ রানের। বোলিংয়ে নেমে দারুণ লড়াই করেছে টাইগার বোলাররা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ফিন অ্যালেনের দুর্দান্ত ব্যাটিং আর জেমি নিশাম ও অধিনায়ক স্যান্টনারের দৃঢ়তা ও বৃষ্টি সহায়তায় ১৭ রানে জিতেছে ব্লাক ক্যাপসরা। ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ এ ড্র করলো বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। এর আগে রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভালে মুখোমুখি হয় দুদল। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সৌম্যকে সাজ ঘরে ফেরান টিম সাউদি। সৌম্য আউট হবার পরে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে মাঠে নামেন অধিনায়ক শান্ত। কিন্ত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলতে গিয়ে দলীয় ৩১ রানে আউট হন তিনি। এরপর রনি এবং আফিফের দ্রুত বিদায়ে ৫৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। তবে হৃদয় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্যক্তিগত ১৬ রানে সান্টনারের শিকার হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন তিনি । এরপর কিউই বোলারদের বোলিং তোপে শেষ পর্যন্ত ১১০ রানেই গুটিয়ে জায় বাংলাদেশের ইনিংস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৭ রান করেন অধিনায়ক শান্ত। কিউইদের হয়ে সান্টনার সর্বোচ্চ ৪ টি উইকেট লাভ করেন। জবাবে ১১১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে টাইগার বোলার মাহেদী শরীফুলদের বোলিং তোপে শুরুতেই ধাক্কা খায় কিউই ব্যাটিং লাইনআপ। একে একে বিদায় নেয় সেই ফার্ড, মিচেলরা। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখা ফিন আলেন দলীয় ৪৯ রানে সাজ ঘরে ফিরে গেলে চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। কিন্ত এরপর জিমি নিশাম এবং অধিনায়ক সান্টনারের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৪৬ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। তবে ১৪.৪ ওভারে কিউইদের রান যখন ৫ উইকেটে ৯৫, তখনই নামে বৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আইনে ম্যাচটি জিতে যায় ব্লাক ক্যাপসরা। ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন অধিনায়ক স্যান্টনার আর সিরিজ সেরা হয়েছেন টাইগার পেসার শরিফুল ইসলাম।