প্রচ্ছদ বাণিজ্য বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে ১৪% খেলাপি হলে পাবেনা ব্যাংকের ঋণ, দুর্বল ব্যাংকগুলো হবে চার শ্রেণিতে বিভক্ত।

বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে ১৪% খেলাপি হলে পাবেনা ব্যাংকের ঋণ, দুর্বল ব্যাংকগুলো হবে চার শ্রেণিতে বিভক্ত।

দ্বারা নিজস্ব প্রতিনিধি
০ কমেন্ট 2 মিনিট পড়ুন
ঋণ
বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে ১৪% খেলাপি হলে পাবেনা ব্যাংকের ঋণ, দুর্বল ব্যাংকগুলো হবে চার শ্রেণিতে বিভক্ত।

সবচেয়ে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হবে। সিআরএআর ৫ শতাংশের নিচে হলে সবচেয়ে খারাপ শ্রেণিতে পড়বে।

ব্যাংক খাতের ওপর জনগণের আস্থা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দুর্বল ব্যাংক গুলোকে চার ভাগে ভাগ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।যেসব ব্যাংকের প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের বেশি এবং ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণের অনুপাত (সিআরএআর) সাড়ে ১২ শতাংশের কম,সেগুলোকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হবে। এ ধরনের ব্যাংকগুলোর পরিচালন খরচ বৃদ্ধির সীমা, লভ্যাংশ বিতরণ, নতুন শাখা খোলা, আমানত ও ঋণ বিতরণ বন্ধ করে দিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এই বিধান রেখেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত মঙ্গলবার ‘প্রম্পট কারেক্টিভ অ্যাকশন’ (পিসিএ) শীর্ষক একটি নীতিমালা জারি করেছে। ব্যাংকগুলোর ২০২৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এই নীতিমালা কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা আমাদেরকে জানান , বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা এই ক্যাটাগরি কতটা কাজে আসবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাড় পেয়ে এসব ব্যাংক নিজস্ব আর্থিক প্রতিবেদন ভালো রাখছে।

দুর্বল ব্যাংকগুলোকে যেভাবে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হবে :

শ্রেণি-১: যদি টানা ৬ মাস কোনো ব্যাংকের সিআরএআর সাড়ে ১২ শতাংশ ও প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৫-৮ শতাংশের মধ্যে থাকে, সেটি শ্রেণি-১ এ পড়বে। এই শ্রেণির ব্যাংক তার শেয়ার ধারীদের কোনো নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে বোনাস শেয়ার বণ্টন করতে পারবে। এসব ব্যাংকের ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদ এক বছরে ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। পরিচালন খরচ আগের বছরের চেয়ে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ বাড়ানো যাবে।

শ্রেণি-২: টানা ১২ মাস যেসব ব্যাংকের সিআরএআর ৮-১০ শতাংশ এবং খেলাপি ঋণ ৮-১১ শতাংশের মধ্যে থাকে, সেগুলো শ্রেণি-২ এ পড়বে। এই ব্যাংকগুলো কোনো লভ্যাংশ দিতে পারবে না। এই ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয় আগের বছরের চেয়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বাড়ানো যাবে।

শ্রেণি-৩: যেসব ব্যাংকের সিআরএআর ৫-৮ শতাংশ এবং খেলাপি ঋণ ১১-১৪ শতাংশের মধ্যে থাকবে, টানা ১৮ মাস সেগুলো শ্রেণি-৩ এ পড়বে। এই শ্রেণির ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া ব্যাংক–সংশ্লিষ্ট কারও সঙ্গে কোনো ধরনের নতুন লেনদেনে জড়াতে পারবে না। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া দেশে বা বিদেশে নতুন শাখা, উপশাখা বা সহায়ক সংস্থাও খুলতে পারবে না।

শ্রেণি-৪: টানা ২৪ মাস যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১৪ শতাংশের ওপরে থাকবে ও সিআরএআর ৫ শতাংশের নিচে নামবে, সেগুলো সবচেয়ে খারাপ ধাপ বা শ্রেণি-৪ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এসব ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ও ঋণ বিতরণ বন্ধ করে দিতে পারবে

You may also like

মতামত দিন

ঠিকানা

marbanglasongbad logo

আমার বাংলা সংবাদ মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।

প্রকাশক ও সম্পাদক : হাসান মাহমুদ,
বিভাগীয় প্রধান ( অনলাইন): সাইফ উদ্দিন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজলেটার

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00