বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, হাসিনা দিল্লিতে থাকুক আর যেখানেই থাকুক আয়নাঘরের চেয়ারে একদিন তাকে বসানো হবে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুমিল্লায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এই সরকার সেই হারুনকেও এখনো গ্রেপ্তার করতে পারে নাই। যদি তাদের গ্রেপ্তার করা হতো তাহলে সচিবালয়ে আগুন লাগা কিংবা গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনা আমাদের দেখতে হতো না।’
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক এমপি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে জয়নুল আবদিন বলেন, ‘নির্বাচনের ম্যাপ দিয়েছেন, এখন রাস্তাটা দেখাই দেন কেমনে যাব। সংস্কারের নামে বিলম্ব করবেন না। সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলে আপনাদের সুনাম নষ্ট হবে, ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিন হইয়েন না। আমাদের নেতা তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে মইনুদ্দিন, আমাদের নেত্রীকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছিল। মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন তিন মাসের কথা বলে দুই বছর কাটাইছিল। আপনাদেরকে সাত মাস সময় দেওয়া হয়েছে। আর বিলম্ব করবেন না ’
বক্তব্যে ফারুক আরও বলেছেন, ‘হাসিনা বলেছিল পদ্মা সেতুতে যে উঠবে তাকে টুস করে ফেলে দেবে সেই হাসিনা কই, হাসিনা এখন মোদির আঁচলের নিচে। শেখ হাসিনা! তুমি ভারতে বসে বসে বারবার উসকানি দিচ্ছ, তুমি নাকি চট করে চলে আসবে, তুমি আসো। আজ কোথায় তোমার কাউয়া কাদের, কোথায় তোমার হাসান মাহমুদ, শামীম ওসমান। আজ কুমিল্লায় মাঠে আসো দেখে যাও কুমিল্লায় জাতীয়তাবাদী শক্তির লাখ লাখ মানুষ কর্মী জনসভায় এসেছে।’
জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উদবাতুল বারী আবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ নেতৃবৃন্দ।