দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে একটি অদ্ভুত চুরির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে রাতের অন্ধকারে চালকল ও আবাসিক ৮টি বিদ্যুতের মিটার চুরি হয়েছে। চোরচক্র বিদ্যুতের খুঁটিতে একটি চিরকুট রেখে গেছে, যাতে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা ছিল। পরে, ওই নম্বরে যোগাযোগ করার পর মিটার ফেরত পেতে ভুক্তভোগীদের প্রতি মিটার ২ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টায় মিটারগুলো ফেরত দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাতে, উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের মনিরামপুর গ্রামে এবং উপজেলা সদর সংলগ্ন এলাকায়। মেসার্স তামিজ হাসকিং মিলের স্বত্বাধিকারী মনিরুজ্জামান এই চুরির বিষয়ে দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ নবাবগঞ্জ জোনাল অফিসে অবগত করেন। তবে, থানায় মৌখিকভাবে সহযোগিতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি এবং অন্যান্য ভুক্তভোগীরা।
মনিরুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার রাত ১টায় চালকল থেকে ঘুমাতে যান এবং তখন বিদ্যুতের সংযোগ ছিল। রাত ৩টার দিকে কাজের ছেলেরা চালকল চালু করতে গিয়ে দেখতে পান বিদ্যুতের লাইন নেই। পরে বিদ্যুতের খুঁটির নিচে গিয়ে তারা মিটারটি খুঁজে পাননি। সেখানে একটি চিরকুটে চোরচক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একটি বিকাশ নম্বর দেওয়া ছিল।
তিনি আরও বলেন, চিরকুটে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করার পর চোরচক্র মিটার ফেরত দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে। ব্যবসার সিজন চলমান থাকায় ভুক্তভোগী কোনো কিছু না ভেবে প্রতি মিটার ২৫০০ টাকা করে দিয়ে মিটারগুলো ফেরত নেন।তিনি আরও বলেন, চিরকুটে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করার পর চোরচক্র মিটার ফেরত দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে। ব্যবসার সিজন চলমান থাকায় ভুক্তভোগী কোনো কিছু না ভেবে প্রতি মিটার ২৫০০ টাকা করে দিয়ে মিটারগুলো ফেরত নেন।
নবাবগঞ্জ থানার এসআই শাহিন মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মিটার চুরির বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবে, চোরচক্রকে ধরার জন্য চেষ্টা চলছে।