ফিলিস্তিনিদের প্রতি একাত্মতা জানিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনেক জায়গায় বিক্ষোভকারীদের প্রশাসনের বাঁধার মুখেও পড়তে হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক গণমাধ্যম ।আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের একদিন পর ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় স্পেনের মাদ্রিদের। ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন হাজারও নাগরিক। এসময় ফিলিস্তিন ও দক্ষিণ আফ্রিকার পতাকা-প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইসরায়েল বিরোধী নানা স্লোগান দেন তারা । অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। ইতালির রাজধানী রোমেও বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে । নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে সড়কে নামেন হাজারও মানুষ। একাত্মতা জানান ফিলিস্তিনিদের প্রতি। এসময় আইসিজের আদেশ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানান বিক্ষোভকারীরা। পাশাপাশি, গাজায় নির্বিচার আগ্রাসন বন্ধের দাবিও জানান।এদিকে, ইতালির আরেক শহর মিলানে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এদিন শহর কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে বিক্ষোভে নামেন মিলানের বাসিন্দারা। পরে তাদের কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে ঘটে সংঘর্ষের ঘটনা। এছাড়াও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ইতালির তুরিন, নেপলসসহ বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যার অভিযোগে গেলো বছরের ডিসেম্বরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই মামলায় গেলো শুক্রবার আদালতটির বিচারক ডোনোহিউ গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের বর্বর হামলা বন্ধ করার আদেশ দেন। পাশাপাশি এ রায়ের পর গাজায় গণহত্যা বন্ধে ইসরাইল কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে বিষয়ে এক মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।