প্রচ্ছদ জাতীয় দুর্নীতি নিয়ে সংসদে শামা-নাহিদের বিতর্ক

দুর্নীতি নিয়ে সংসদে শামা-নাহিদের বিতর্ক

দ্বারা নিজস্ব প্রতিনিধি
০ কমেন্ট 2 মিনিট পড়ুন
দুর্নীতি নিয়ে সংসদে শামা-নাহিদের বিতর্ক

জাতীয় সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার দুর্নীতি নিয়ে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে শামা ওবায়েদ অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিএনপির সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা স্মরণ করে বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমিক। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ৫ আগস্টের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের নবীন সদস্যদের বিরুদ্ধেও গত দেড় বছরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।”

সরকার পরিচালনায় অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যদি সরকারে থেকে কাজ করতে হয় তাহলে অভিজ্ঞতা, সাহস, বুদ্ধিমত্তাও দরকার। বিএনপি এমন রাজনৈতিক দল, যারা ফেসবুকে রাজনীতি করে না।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু ‘বট বাহিনী’ দিয়ে, স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষকে ছোট করে, আজেবাজে কথা বলে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না। যদি ১৯৭১ সালে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া থাকত, তাহলে দেশ স্বাধীন হতো কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।”

তবে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আমার সামনে বসা সংসদ সদস্য নাহিদ ও হাসনাতদের (হাসনাত আবদুল্লাহ) সেন্টিমেন্ট রিলেট করি; আমরাও চাই আমাদের সন্তানেরা এমন এক নতুন বাংলাদেশে বসবাস করুক, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, খুনের বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।”

শামা ওবায়েদের বক্তব্যের পরপরই ফ্লোর নেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যিনি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি শামা ওবায়েদকে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগ যেহেতু উনি বললেন, উনারা সরকারে আছেন, উনাদের এটা প্রমাণ করতে হবে। এটার প্রমাণ জাতীয় সংসদে যেহেতু বলেছেন, প্রমাণ দিতে হবে। নাহিদ ইসলামের নামে কী দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, নাহিদ ইসলাম কোথায় দুর্নীতি করেছেন? সে প্রমাণ আমি উনাদের কাছে চাচ্ছি।”

এ সময় তিনি বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

উভয় পক্ষের বাদানুবাদের এক পর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হস্তক্ষেপ করেন। বিতর্কের সুরাহা করে তিনি বলেন, “পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে সুনির্দিষ্টভাবে কারও নাম বলেননি।” স্পিকারের এই মন্তব্যের মাধ্যমে পরিস্থিতির শান্ত হয়।

You may also like

মতামত দিন

ঠিকানা

marbanglasongbad logo

আমার বাংলা সংবাদ মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।

প্রকাশক ও সম্পাদক : হাসান মাহমুদ,
বিভাগীয় প্রধান ( অনলাইন): সাইফ উদ্দিন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজলেটার

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00