কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। গাইডেড মিসাইলের আঘাতে নৌযানে ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে ক্রেমলিনও। জানায়, এই নাশকতায় একজনের মৃত্যু ও দু’জন আহত হয়েছে। মস্কোর ছোঁড়া ১৩টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে কিয়েভ। এর আগে, ইউক্রেনের মারিয়াঙ্কা দখলে নেয়ার দাবি করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। যদিও তা অস্বীকার করেছে জেলেনস্কি প্রশাসন।রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা জানায়, ফিওদোসিয়ায় রুশ যুদ্ধজাহাজে হামলায় বিমান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইউক্রেন। হামলায় নোভোচেরকাস্ক নামের রাশিয়ার ওই জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।পোল্যান্ডে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজ সামরিক বাহিনীতে ব্যবহার শুরু হয় ১৯৮০’র দশকের শেষের দিকে। ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোনসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক অস্ত্র পরিবহন করতে পারে এই যুদ্ধজাহাজ।রাশিয়ার কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রকাশিত ওই যুদ্ধজাহাজে হামলার ভিডিওতে দেখা যায়, জাহাজটিতে আকস্মিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটছে। ওই বিস্ফোরণের পর সেটিতে আগুন ধরে যায়।দেড় বছরের বেশি সময় ধরে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সাফল্য খুব বেশি নেই। বরং রুশ সামরিক বাহিনীই ইউক্রেনে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে এবং সেখানকার একের পর এক এলাকা দখলে নিয়েছে। কিন্তু এর মাঝেই ক্রিমিয়া উপদ্বীপে কৃষ্ণ সাগরে নিয়াজিত রাশিয়ার রণতরীর বহরের প্রধান কার্যালয়ে সিরিজ হামলা চালাতে সক্ষম হলো ইউক্রেন। এতে রুশ সামরিক বাহিনীর গুরুতর ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, ফিওদোসিয়ায় স্থানীয় সময় ২৬ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ নোভোচেরকাস্কে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইউক্রেনীয় সৈন্যরা।এর আগে,, ২০১৪ সালে হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপের দখল ছিনিয়ে নেয় রাশিয়া। এরপর সেখানে নিজেদের অনুগত প্রশাসন নিয়োগ করেছে রাশিয়া।