ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্যকে হত্যা করা হয়েছে মাদকসেবীদের অস্ত্র দেখে ফেলায়। এই তথ্যটি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে এই মামলায় ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে সাম্যর পরিবারের দাবি, আসামিদের জবানবন্দির সঙ্গে পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।
সাম্য, যিনি ছাত্রদলের একজন নেতা ছিলেন, গত ১৩ মে রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একটি হোটেলে বন্ধুদের সঙ্গে খাবার খেতে যান। ফেরার পথে তিনি নির্মমভাবে খুন হন। পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতেই তিনজনকে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় এবং পরে আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সংবাদ সম্মেলনে জানান, রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ শুরু থেকেই কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, “ঘটনার রাতেই তিনজনকে পুলিশ আহত অবস্থায় গ্রেফতার করে। পরে আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম জানান, উদ্যানে মাদকসেবীরা ট্রেজারগান নিয়ে ঘুরছিল। সাম্য যখন এটি দেখে ফেলেন, তখনই তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
তবে সাম্যর পরিবার অভিযোগ করেছে যে, আসামিদের জবানবন্দির সঙ্গে পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। সাম্যর বড় ভাই আমিরুল ইসলাম সাগর বলেন, “দুজন সাম্যকে হত্যা করে। বাকিরা আশপাশে নজর রাখছিল। এগুলো পূর্বপরিকল্পিত। যদি কোনো মাদককারবারীকে আমার ভাই চিনে ফেলে, তাকে চড় থাপ্পর দেয় তাহলে দুজন মারামারি করবে। আরও ১০ জন মাদককারবারী মারামারি করার জন্য যুক্ত হবে না।”
এদিকে, সাম্য হত্যার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।