প্রচ্ছদ আবহাওয়া ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ কয়েকটি জেলা, পদ্মাসেতু কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের বাঁধে ধস

ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ কয়েকটি জেলা, পদ্মাসেতু কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের বাঁধে ধস

দ্বারা নিজস্ব প্রতিনিধি
০ কমেন্ট 2 মিনিট পড়ুন
ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ কয়েকটি জেলা, পদ্মাসেতু কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের বাঁধে ধস

দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থা, অভিযোগ স্থানীয়দের। এদিকে প্রবল স্রোতের কারণে শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের বাঁধে ধস নেমেছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় দেড়শ মিটার অংশ। সোমবার বিকেলে উপজেলার পূর্ব নাওডোবার মঙ্গল মাঝিরঘাট এলাকায় এ ভাঙন শুরু হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত বছরের নভেম্বরে নাওডোবা এলাকায় ১০০ মিটার বাঁধ ধসে গেলে ২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তা পুনর্নির্মাণ করা হয়। সেই সংস্কার করা এলাকার দুটি স্থানে ৭ ও ৮ জুন ২০০ মিটার অংশ পদ্মা নদীতে ধসে পড়ে। সোমবার বিকেলে একইস্থানে আবারও ভাঙন শুরু হয়। এতে মঙ্গল মাঝির ঘাট বাজারের ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ২টি বসতঘর ও একটি কালভার্ট নদীতে বিলীন হয়েছে। বাঁধের পাশের অন্তত ২০টি বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে, ফেনীর পরশুরামে মুহুরী নদীতে তিনটি স্থানে বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকেছে লোকালয়ে। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সোমবার রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে ফেনীতে। মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয় রামপুর, শাহীন একাডেমি এলাকা, পাঠানবাড়ি, নাজির রোডসহ বিভিন্ন এলাকায়। পরশুরামে মুহুরী নদীতে তিনটি স্থানে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সিলোনিয়া নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পৌর প্রশাসক বলেন, ‘অতিবৃষ্টির পানি নামতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সক্ষমতা না থাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তবে তাদের ১২টি ইউনিট পানি নিষ্কাসনের কাজ করছে।’

ফেনী পৌরসভার প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘ফেনী শহরের জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা এবং ড্রেনের মুখগুলো পরিষ্কার না থাকা। ইত্যিমধ্যেই আমরা এই ড্রেনের মুখগুলি পরিষ্কার করে দিয়েছি।’

ভারী বৃষ্টিতে নোয়াখালী শহরের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতা দেখা দেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দোকানপাট ও আবাসিক এলাকায়ও। দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। লক্ষীপুর পৌর এলাকার কলেজ রোড, জেবি রোডসহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। 

একই অবস্থা বাগেরহাটের পৌর এলাকায়। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে, খাগড়াছড়ির মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ সরে যেতে প্রচারণা চালাচ্ছে প্রশাসন।

এদিকে এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, অদক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে ঢাকাসহ ৪ বিভাগে আগামী ২৪ ঘন্টা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কথা। একই সাথে, দেশের ৬ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এদিন, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

You may also like

মতামত দিন

ঠিকানা

marbanglasongbad logo

আমার বাংলা সংবাদ মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।

প্রকাশক ও সম্পাদক : হাসান মাহমুদ,
বিভাগীয় প্রধান ( অনলাইন): সাইফ উদ্দিন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজলেটার

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00