নেত্রকোনার চল্লিশাকান্দা এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষে ২১ বছর বয়সী যুবক জাহাঙ্গীর আলম নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। তার পূর্ববর্তী রাতে কিছু লোক তার বাড়িতে হামলা চালায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা সদরের বড় কাইলাটির বাসিন্দা মো. আলী ওসমানের পুত্র আলমগীর পাশের গ্রামের রনি (২০) ও তরিকুল (১৯) এর নিকট ৪ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। Alমগীর একাধিকবার তাদের কাছে পাওনা টাকা চাইলে তারা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পাওনাদার আলমগীর মিয়া রনিকে ও তরিকুলকে তার দোকানের সামনে আটকে রেখে টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন।
এর পরবর্তী রাতে অর্থাৎ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রনি ও তরিকুলসহ ১০ থেকে ১২ জন লোক রুবেল ও রনির নেতৃত্বে প্রথমে আলমগীরকে রাস্তায় মারধর করে। এরপর তারা আলমগীরের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা শুরু করে। এ সময় আলমগীরের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর ঘর থেকে বের হলে হামলাকারীরা তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় জাহাঙ্গীরকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহে প্রেরণ করেন। শনিবার ভর্তি থাকা অবস্থায় জাহাঙ্গীর মারা যান।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) চম্পক দাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।