গাজায় হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়ছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে বোমা হামলা আর লেবাননে হামাস নেতাকে হত্যার ঘটনায় চুপ করে থাকবে না, দেশগুলো। তারওপর লোহিত সাগরে হুতিদের হামলাকে কেন্দ্র করে চলছে মার্কিন অভিযান। বিশ্লেষকদের শঙ্কা, গাজার সংঘাত ছড়িয়ে পড়বে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে।লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি হামলায় হামাসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা সালেহ আল-আরৌরি নিহত হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ গাজা এবং পশ্চিম তীর। ক্ষোভ চলছে লেবাননেও। গেলো ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য হামলা চালায় লেবাননের হিজবুল্লাহ গেরিলা। পাল্টা জবাবে লেবাননেও বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। তবে এবার হামাসের শীর্ষ এই নেতাকে হত্যার পর অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়বে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে।এদিকে, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হুতি বিদ্রোহীদের হামলাকে কেন্দ্র করে সেখানে শক্তি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরইমধ্যে কয়েক দফায় ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের ওপর হামলাও চালানো হয়েছে। যাতে প্রাণ গেছে বেশ কিছু হুতি বিদ্রোহীর। ওই ঘটনায় লোহিত সাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে তেহরান। এরইমধ্যে ইরানে বোমা হামলার ঘটনায়, পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে বলে শঙ্কা বিশ্লেষকদের।প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ম্যালকম ডেভিস জানান, লোহিত সাগরে হুতিদের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে লড়াইয়ে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানও সেখানে তার শক্তি বৃদ্ধি করছে। তার ওপর বৈরুতে এ ধরনের হামলার পর সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। হিজবুল্লাহ বা লেবানন হামাস নেতা নিহতের কী প্রতিক্রিয়া দেখায় তার ওপর নির্ভর করছে পুরো পরিস্থিতি। পাল্টা জবাব আসলে ওই অঞ্চল আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।