গাজায় চূড়ান্ত আগ্রাসনের মধ্যেই চলছে হামাস-ইসরায়েল পাল্টাপাল্টি হুমকি-ধামকি। উপত্যকায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আগে মুক্তি পাবে না আর কোনো জিম্মি- এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছে হামাস। তেল আবিবের আগ্রাসন বন্ধ না হলে কোনো আলোচনা নয়-সাফ জানিয়ে দিয়েছে এমন কথা। জিম্মি উদ্ধার ও হামাস নির্মুলে সর্বাত্মক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যুদ্ধবিরতি শেষে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। অবিরাম চলছে বোমাবর্ষণ। ইসরায়েলি বাহিনীর টার্গেট থেকে পালানোর কোনো জায়গা নেই বিধ্বস্ত গাজায়। জিম্মিদের উদ্ধারে যতদিন প্রয়োজন অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আবারও হুঁশিয়ারি দিলেন হামাস নির্মুলে। গাজা জুড়ে হামলা চললেও বেসামরিকদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাল্টা জবাবে হামাস জানিয়েছে, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ছাড়া জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে কোনো আলোচনায় রাজি নয় তারা। আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি পাবে না আর কোনো বন্দি। হামাসের ডেপুটি প্রধান সালেহ আল আরৌরি বলেন, বিদেশি বন্দিদের কোনো শর্ত ছাড়াই ছেড়ে দিতে তারা প্রস্তুত ছিলো । নারী ও শিশুরাও তাদের লক্ষ্য ছিলো না। তাদের মুক্তিও দেয়া হয়েছে। বর্তমানে বন্দিদের মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলি সেনা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করা বেসামরিকরা। তাই আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা হবে না।এদিকে, দুই দফা সময় বৃদ্ধির পর গত ৩০ নভেম্বর শেষ হয় হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। হামাসের বিরুদ্ধে শর্তভঙ্গের অভিযোগ তুলে ২ ডিসেম্বর মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার থেকে প্রতিনিধিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েল।