গাজীপুর মহানগরের ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। শনিবার (২৯ জুন) রাতে বিএনপির ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কাজী টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামি হিসেবে গাজীপুরা কাজীবাড়ী পুকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা কাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে কাজী হারুন অর রশিদ (৫০)-কে চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলায় আরও ২৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখিত আসামিরা সবাই বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলার অন্যান্য উল্লেখিত আসামির মধ্যে রয়েছেন: ফারহাদ বিন প্রবাল, আবু সাঈদ মোল্লা, কাজী মামুন, নুরুল আমিন বাবু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাদশা, আদনান খান, কাউসার, জসিম, তারা মিয়া, এম এস আরিফ, আরেফিন সিদ্দিক বুলবুল, আসাদুজ্জামান মামুন, আজিজুর রহমান টিপু, নাহিদ, সেলিম, সোহেল আহাম্মেদ ময়না, মাইদুল মোল্লা, সেলিম মোল্লা, মাসুদ মোল্লা, রফিকুল ইসলাম, মইনুদ্দিন ওরফে পোইটকা মইন, আলমগীর হোসেন, নাজমুল করিম বাবু এবং ফজলে রাব্বি।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পশ্চিম থানার গাজীপুরা পশ্চিমপাড়া এলাকার স্যার্টান টেক্সটাইলস লিমিটেডের বাতিল কাপড় (ঝুট) কেনার জন্য চুক্তিপত্র অনুযায়ী শনিবার সকাল ১১টার দিকে বিএনপি নেতা হুমায়ুন কাজী কারখানায় যান। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন এসএস পাইপ দিয়ে তাকে মারধর করে এবং ভয়ভীতি দেখায়।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ১০-১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হামলাকারীরা বিএনপি নেতা হালিম মোল্লার অনুসারী।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইস্কান্দার হাবিবুর রহমান জানান, ‘ঘটনার পর শনিবার রাতেই বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।