জয় কী জিনিস, সেটাই যেন ভুলতে বসেছিল ইন্টার মায়ামি। ফ্লোরিডার দলটি বদলে গেলো একজনের জাদুকরী স্পর্শে। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো ঘোষণা এলো, লিওনেল মেসি আসছেন আমেরিকায়। ইউরোপে ছড়ি ঘুরানো আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড অখ্যাত মেজর লিগ সকারেও রাখলেন অবিশ্বাস্য ছাপ। জিততে জিততে একসময় মায়ামি পেয়ে গেলো ইতিহাসের প্রথম ট্রফি লিগস কাপও। বিশ্বকাপ ট্রফিতে চুমু খাওয়ার পর অষ্টম ব্যালন ডি’অর জয়, তারপর আমেরিকান ফুটবলে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিও পেয়ে গেলেন মেসি।মায়ামিতে প্রথম ১৪ ম্যাচে ১১ গোল করেন মেসি। শুধু মাঠেই নয়, বাইরেও তার প্রভাব স্পষ্ট ছিল। তাকে একপলক দেখার জন্য ডিআরভি পিএনকে স্টেডিয়ামে হাজির হন সেরেনা উইলিয়ামস ও কিম কার্দাশিয়ানের মতো বড় বড় সেলিব্রেটিরা। আর তার ম্যাচ দেখার জন্য টিকিট বিক্রির রেকর্ড হয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে পূর্ণতা পায় লিওনেল মেসির ক্যারিয়ার। তবে বিশ্বসেরা এই ফুটবলারের জন্য পুরষ্কার জেতা যেন নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে ওঠেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৩ সালের বর্ষসেরা অ্যাথলেটের খ্যাতি পেয়েছেন আর্জেন্টাইন এই ফুটবল সুপারস্টার।এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে টাইম ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে মেসির নানা সফলতার কথাও উল্লেখ করা হয় সাময়িকীতে।জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে শিরোপা জয়ের পর গত নভেম্বরে অষ্টম ব্যালন ডি’অরও ওঠেছে মেসির হাতে। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার পেতে মেসি পেছনে ফেলেছেন দুই ফুলবল তারকা ফুটবলার আর্লিং হালান্ড ও কিলিয়ান এমবাপেকে। জিতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কারও। ক্লাবটির হয়ে প্রথম লীগ শিরোপাও এসেছে তার হাত ধরেই। এর আগে, ২০২২ সালে মেজর লিগ বেসবল তারকা অ্যারন জজ টাইমসের বর্ষসেরা অ্যাথলেট হয়েছিলেন মেসি।