১। জনমনে সাডেন প্যানিক:
এই বুঝি তেল শেষ হয়ে গেলো!
আর হয়তো তেল পাবো না!
মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশে বোধহয় পেট্রোল অকটেন দেওয়া যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাবে!
ইত্যাদি ইত্যাদি চিন্তা জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো মানুষ গাড়িতে তেল থাকা সত্বেও তেল নিচ্ছে,যার আপাততঃ চলবে বা ২ দিনের তেল আছে সেও তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। কিংবা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল,দেখলো কোনো এক পাম্পে তেল দিচ্ছে, লাইনে দাড়িয়ে গেলো।যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করা হয় বা টেংকি চেক করা হয় তখন কিছু ক্ষণের মধ্যে লাইন শেষ। কেউ আর লাইনে আসে না। এর ফলে কিছু মানুষ আবার মব সৃষ্টির চেষ্টা করে।
২। মাইক্রো স্টোরিং বা ক্ষুদ্র আকারে মজুদ:
এটি একটি ভয়াবহ কারণ।যাদের বাসায় অনন্ত একটি বাইক আছে একটু খোঁজ নিলে দেখবেন কমপক্ষে ১-৫ লি. তেল মজুদ আছে।মানুষ প্যানিকড হয়ে মজুদ করছে।ভাবুন একটি উপজেলায় ২০০০ গাড়ি বা যান আছে, তারা যদি ২ লি করে তেল মজুদ করে তবে ঐ উপজেলায় ৪০০০লি তেলের মাইক্রো মজুদ হবে। এটি ২ টা পাম্পে ২ দিনের বরাদ্দ।এটা ন্যাশলানি একবার চিন্তা করেন।এখান অন্যান্য যান, কৃষি যন্ত্রপাতি,গ্যাস চালিত গাড়ি(যারা এখন পেট্রোলের জন্য লাইনে দাড়াচ্ছেন, পরে চোরাই বিক্রি করেন) হিসেব তো বাদই দিলাম।
মোদ্দা কথা এই সংকটময় মুহূর্তে দেশকে ভালোবেসে আমাদের আরোও সংযত আচরণ করতে হবে, মিতব্যয়ী হতে হবে।রিমোর্ট এরিয়া থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য তেল চাইলে হবে না,এটা প্রয়োজন না, এটা বিলাসিতা।