নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ এলাকার বর্মন বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর রাহেদ হোসেন নামের এক রিকশা চালকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে সোনাইমুড়ী-রামগঞ্জ সড়কের কাছে অবস্থিত আব্দুল আউয়ালের জায়গার ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ।
সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম মঙ্গলবার (২০ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত রাহেদ লক্ষ্মীপুর জেলার রামচর ইউনিয়নের দক্ষিণ কালিকাপুর গ্রামের ইউসুফ কামালের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে খোকন চন্দ্রের ছেলে জুয়েল চন্দ্র বর্মন ডোবার পাশে মাছের পোনা ছাড়তে গিয়ে একটি কালো রংয়ের প্যান্ট এবং কোমরে গামছা পেঁচানো একটি পঁচা মরদেহ দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হারুনুর রশিদকে বিষয়টি জানান, যিনি পরে সোনাইমুড়ী থানাকে অবহিত করেন। পুলিশ এসে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহের পরিধানে থাকা প্যান্ট, কোমরের বেল্ট এবং পুরাতন গামছা দেখে রাহেদের পরিবার মরদেহটি শনাক্ত করে। ইউসুফ কামাল জানান, তার ছেলে রাহেদ অটো রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি গত ২ মে রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, গত ৮ থেকে ৯ দিন আগে জয়াগ বাজারের পশ্চিমে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ব্যাটারিবিহীন অটোরিকশা উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, পূর্ব শত্রুতা অথবা গুরুতর অপরাধ প্রত্যক্ষ করায় অপরাধীরা রাহেদকে হত্যা করে মরদেহটি এখানে ফেলে গেছে।
এদিকে, সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম জানিয়েছেন, পুলিশ মরদেহটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।