প্রচ্ছদ সর্বশেষ সরকারি খাস জমিতে অর্ধশত গাঁজা গাছের চাষ

সরকারি খাস জমিতে অর্ধশত গাঁজা গাছের চাষ

দ্বারা নিজস্ব প্রতিনিধি
০ কমেন্ট 1 মিনিট পড়ুন
সরকারি খাস জমিতে অর্ধশত গাঁজা গাছের চাষ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত সরকারি খাস জমি থেকে প্রায় অর্ধশত গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর ঘাট এলাকা থেকে গাছগুলো উদ্ধার করেন। তবে গাছগুলো কে বা কারা চাষ করেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় যুবকদের দ্বারা উদ্ধারকৃত গাঁজার গাছগুলো বর্তমানে ইউনিয়নের কেওয়াগ্রাম বাজার সংলগ্ন একটি ঈদগাহ্ মাঠে রাখা হয়েছে। প্রতিটি গাছের উচ্চতা প্রায় ৬ থেকে ৮ ফুট, এবং সেখানে মোট ৪৩টি গাছ দেখা গেছে।

প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্য সবুজ জানান, “সংবাদ পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি পর সোমবার সকালে নদীর চর এলাকা থেকে গাজার গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।” অপর এক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য বলেন, “গড়াই নদীর লক্ষ্মীপুর ঘাট এলাকা থেকে গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে গাছগুলো চাষ করা হয়েছিল কিনা বা এমনিতেই হয়েছে কিনা এ বিষয়ে আমরা কিছু জানতে পারিনি।

মিলন নামের আরেক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য জানান, “আমরা প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থা সহযোগিতায় এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকি। এর আগেও একজনকে মাদকসহ পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজকে আমরা প্রায় অর্ধশত গাজার গাছ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় বিভিন্ন মহল থেকে মুঠোফোনের মাধ্যমে আমাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। আমার নামে মামলা দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

এ বিষয়ে কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ বলেন, “আমাদের এলাকার প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা অনেকগুলো গাজার গাছ উদ্ধার করেছে। এর আগেও ওরা একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে পুলিশে দিয়েছিল। এলাকায় ওরা অনেক ভালো কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে।”

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “খবর পেয়ে ৪১টি গাঁজার গাছ জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কে বা কারা গাঁজার গাছগুলো লাগিয়েছিল এ বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। গাঁজার গাছের মালিক পেলে এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

You may also like

মতামত দিন

ঠিকানা

marbanglasongbad logo

আমার বাংলা সংবাদ মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।

প্রকাশক ও সম্পাদক : হাসান মাহমুদ,
বিভাগীয় প্রধান ( অনলাইন): সাইফ উদ্দিন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজলেটার

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00