প্রচ্ছদ জাতীয় নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকট: সারাদেশে পাম্প বন্ধের আশঙ্কা

নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকট: সারাদেশে পাম্প বন্ধের আশঙ্কা

দ্বারা নিজস্ব প্রতিনিধি
০ কমেন্ট 3 মিনিট পড়ুন
নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকট: সারাদেশে পাম্প বন্ধের আশঙ্কা

পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির দাবি, কিছু অসাধু ব্যক্তি দিনে কয়েকবার জ্বালানি কিনে তা বেশি দামে বাইরে বিক্রি করছে।

ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং জ্বালানি সরবরাহের সংকটের কারণে সারাদেশে পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। এ বিষয়ে রবিবার গভীর রাতে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।  ফলে সারা দেশের পাম্পগুলো এখন ‘বিপজ্জনক পরিস্থিতির’ সম্মুখীন।

বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের জ্বালানি নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

পাম্প কর্মীদের ওপর ক্রমাগত মানসিক ও শারীরিক চাপ বাড়ছে উল্লেখ করে সমিতি জানায়, পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে পাম্পগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তারা আরও অভিযোগ করেছে, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের পক্ষ থেকে পাম্পগুলোর বিপণন নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত থাকছে। ফলে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।

সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করে মালিক সমিতি জানায়, ঈদের আগে একটি পাম্পে ১০,৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন এবং অন্য একটিতে ৮,০০০ লিটার মজুত থাকলেও অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে তা দ্রুত ফুরিয়ে যায়।

এই পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজ’ হিসেবে বর্ণনা করে সমিতি দাবি করেছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি দিনে কয়েকবার জ্বালানি কিনে তা বেশি দামে বাইরে বিক্রি করছে। এমনকি কোনো কোনো মোটরসাইকেল আরোহী দিনে ১০ বার পর্যন্ত জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। ফলে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। জ্বালানির অতিরিক্ত চাহিদার কারণে দ্রুত মজুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে।

সংগঠনটি আরও অভিযোগ করে, কিছু সংগঠিত চক্র রাতে জোরপূর্বক পাম্প খুলিয়ে তেল নিয়ে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে তেল লুট করার একটি ঘটনার কথাও তারা উল্লেখ করে। পাম্পে নিরাপত্তার পাশাপাশি ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময় ট্যাঙ্কার লুটের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে।

সমিতি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, অবিলম্বে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে তারা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করতে এবং চূড়ান্তভাবে পাম্পের কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হবে। এমনকি ঈদের আগের রাতে অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি পরিষেবার জন্য ২০০ লিটার অকটেনও সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। কারণ চাপের মুখে সব তেল নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পেট্রোল পাম্পগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরালো উপস্থিতি নিশ্চিত করা না হলে ডিপো থেকে জ্বালানি সংগ্রহ বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।

You may also like

মতামত দিন

ঠিকানা

marbanglasongbad logo

আমার বাংলা সংবাদ মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।

প্রকাশক ও সম্পাদক : হাসান মাহমুদ,
বিভাগীয় প্রধান ( অনলাইন): সাইফ উদ্দিন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজলেটার

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00