নেশা বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। সবচেয় ভয়বহ হল মাদকের নেশা। বর্তমান যুব সমাজ আক্রান্ত এই সামাজিক ব্যাধি, সর্বগ্রাসী মরণনেশায়। মাদকের বুঁদ হয়ে থাকা তরুণ সমাজ আজ বিপথগামী। মাদকের বিষবাষ্প দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে দেশের প্রতিটি কোনে এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে বিচরণ করছে সর্বনাশা এই মাদক। মাদকের বিষাক্ত থাবায় অকালে ঝরে পড়ছে বহু তাজা প্রাণ । অকালে সন্তান হারাচ্ছে অনেক পরিবার। মাদকের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে সনেশা হল নিজের প্রতি নিজের অত্যাচার
ন্তানকে রক্ষার জন্য অভিভাবকদের সঙ্গে পুরো জাতি আজ শঙ্কিত ।
মাদক ব্যবহারকারীর শরীরে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়
১. মাদক সেবনে রক্তচাপ কমে যায়
২. মাদক সেবনে ক্ষুধা ও যৌন অনুভূতি কমে যায়
৩. শ্বাস-প্রশ্বাস ক্ষমতা নিস্তজ হয়ে যায়
৪. মাদকসেবী ক্রমে অবসন্ন হয়ে যায়।
৭. অসংলগ্ন চলাফেরা চোখে পড়ে।
৮. স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের কমে যায়
৮. চোখ লালচে হয় ,উগ্র মেজাজ, নিদ্র্র্রাহীনতায় ভোগে
১১. অধিক মাত্রায় মাদকসেবী মাতলামী করে
মাদক ব্যবহারকারীর শরীরে দীর্ঘ মেয়াদী যেসকল সমস্যা দেখা দেয়।
১. দীর্ঘ মেয়াদী শ্বাস, প্রণালিতে সমস্যা দেখা দেয়
২. দীর্ঘ মেয়াদী চোখের সমস্যা দেখা দেয়
৩. দীর্ঘ মেয়াদী লিভারের সমস্যা দেখা দেয়
৪. দীর্ঘ মেয়াদী কিডনীর সমস্যা দেখা দেয়
৫. দীর্ঘ মেয়াদী হৃদযন্ত্র ও রক্ত প্রণালিতে সমস্যা দেখা দেয়
৬. দীর্ঘ মেয়াদী ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়
৭. দীর্ঘ মেয়াদী যৌন ক্ষমতা ও প্রজননের সমস্যা দেখা দেয়
৮. দীর্ঘ মেয়াদী মস্তিস্ক ও স্নায়ুতন্ত্র এবং মানসিক সমস্যা দেখা দেয়
পরিশেষে, মাদক সেবনকারীর একসময় নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া এবং তাকে বিষন্নতায় ঝেঁকে বসে পরে মাদকসেবীর মধ্যে অত্যহত্যার পথ বেছে নেয়।
সুতরাং মাদকের নেশা হল হল নিজের প্রতি নিজের অত্যাচার করার সামিল।
লেখক : কলামিস্ট