প্রচ্ছদ মতামত ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ সেবন এর প্রবণতা বাড়ছে !

ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ সেবন এর প্রবণতা বাড়ছে !

চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে। ফার্মেসি থেকে নয়, চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেতে হবে এবং এর পূর্ন কোর্স শেষ করতে হবে।

দ্বারা নিজস্ব প্রতিনিধি
০ কমেন্ট 2 মিনিট পড়ুন
ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ সেবন
ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ সেবন এর প্রবণতা বাড়ছে !

ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ সেবন এর প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে । কারন হিসেবে দেখছেন, দেশের নিম্ম আয়ের মানুষ ডাক্তারদের কাছে যেতে পারছেন না ডাক্তারদের অতিরিক্ত ফিস ও টেষ্ট বানিজ্যের কারনে । তাদের ভরসা পল্লী চিকিৎসক ও ফার্মেসির বিক্রয়কর্মীদের উপর।
হালকা উপসর্গে পল্লী চিকিৎসক ও ফার্মেসি দোকানদার রোগী এলেই অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দিচ্ছেন। তাছাড়া অনেকরেই এখন অ্যান্টিবায়োটিকের নাম মুখস্থ তাই তারা কোন ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক কিনতে পারছেন।
আর এই মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার এ বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। ভীতির কথা হল মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার প্রবনতাই এখন কাল হয়ে দাড়াল । দিন দিন কার্যকারিতা হরাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক।
এই অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোগীর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। একটি গবেষণা পর্যালোচনা করলে জানা যায়, যে অসংখ্য সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারিয়েছে। যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে আমরা সেই বিভীষিকাময় সময় দেখতে পাব, যখন কোনো রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না এবং লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারাবে। তখন হয়তো আরেকটি মহামারি দেখা দিতে পারে অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে।
আসুন, এই অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানো আরো কিছু কারন ব্যাখ্যা করা যাক!
প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প ডোজ দেওয়া হলে, ভাইরাসজনিত কোনো অসুখে অ্যান্টিবায়োটিক দিলেও তা অকার্যকর হতে পারে।
সবজি ও ফলে পোকা দমনেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হচ্ছে।
মাছ, মাংস, ফল – মূল এবং সবজির মধ্যে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হচ্ছে যা মনের অজান্তেই আবার মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে যার ফলে ঐ নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক অন্য অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। যেমন :- গবাদি পশুর দেহের বৃদ্ধির জন্য এবং রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা হ্রাস করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয়। এর ফলে মানুষ সেই পশু খাবার হিসাবে খেলে তাতে অ্যান্টিবায়োটিক মানব দেহে চলে আসে যার ফলে অ্যান্টিবায়োটিক ঐ মানবদেহে কার্যকারিতা হারায়
ওষুধ নিয়মমাফিক না খেয়ে সময় অসময়ে খেলে দেহের রোগ-জীবানু অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
করোনা মহামারী চলাকালীন অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বৃদ্ধি এই বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হুমকি আরও বহুগুনে বাড়িয়ে তুলছে।
তাই নিজে থেকে নয়, চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে। ফার্মেসি থেকে নয়, চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেতে হবে এবং এর পূর্ন কোর্স শেষ করতে হবে।

You may also like

মতামত দিন

ঠিকানা

marbanglasongbad logo

আমার বাংলা সংবাদ মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত।

প্রকাশক ও সম্পাদক : হাসান মাহমুদ,
বিভাগীয় প্রধান ( অনলাইন): সাইফ উদ্দিন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজলেটার

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00