বিভিন্ন দেশে গুপ্তহত্যা চালিয়ে হামাস নির্মূলের ছক কষছে ইসরায়েল? তুরস্কে, তেলআবিবের গোয়েন্দা সংস্থা- মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ত্রিশের বেশি আটক হওয়ার ঘটনায় উঠেছে এমন প্রশ্ন। তুরস্কের আটটি প্রদেশে অভিযান চালিয়েছে দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং কাউন্টার টেরোরিজ্যম ব্যুরো। একযোগে ৫৭টি স্থান থেকে আটক করা হয়েছে কয়েক ডজন ব্যক্তিকে। যাদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে।সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ধরপাকড়ের ভিডিও প্রকাশ করেন তুর্কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার দাবি, এসব গুপ্তচরের মাধ্যমে তুরস্কে থাকা বিদেশিদের ওপর নজরদারি করছিল তেলআবিব। পাশাপাশি ছিল হামলা ও অপহরণের পরিকল্পনাও।তুরস্কে কার্যালয় রয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাতার, তুরস্ক, লেবাননসহ কয়েকটি দেশ থেকে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।গেলো ডিসেম্বরে মার্কিন গণমাধ্যমের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুদ্ধ শেষে বিভিন্ন দেশে থাকা হামাস নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। সেসময় ফাঁস হয় হামাস নেতাদের হত্যা ইস্যুতে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা প্রধানের চাঞ্চল্যকর এক অডিওবার্তাও। এসব ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। যার, ধারাবাহিকতায় তুরস্কজুড়ে চলছে অভিযান।অবশ্য গুপ্তহত্যা ইসরায়েলের জন্য নতুন কিছু নয়। অবৈধ দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন দেশে গিয়ে শত্রু হত্যার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে দেশটির বিরুদ্ধে। মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিরাই তাদের টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছে বেশি। তবে, হুমকি মনে হওয়ায় জার্মানি, কানাডার মতো বন্ধু দেশের নাগরিকদেরও ছাড় দেয়নি ইহুদি রাষ্ট্রটি।