আগেই জানিয়েছিলেন ঘরের মাঠে পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে ইতি টানবেন টেস্ট ক্রিকেটের। কিন্তু ফর্ম পক্ষে নেই অনেকদিন ধরেই। তাই এই সিরিজে ওয়ার্নারের সুযোগ পাওয়াই ছিল শঙ্কার মুখে। তবে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ডেভিড ওয়ার্নারকে শেষের শুরুর সুযোগ করে দিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। পার্থ টেস্টের ১৪ সদস্যের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। অ্যাশেজের স্কোয়াড থেকে মাত্র দুটি বদল এনেছে অস্ট্রেলিয়া। টড মার্ফির জায়গায় ফিরেছেন অভিজ্ঞ ন্যাথান লায়ন। ইনজুরির কারণে অ্যাশেজের দ্বিতীয় ম্যাচেই ছিটকে গিয়েছিলেন এই অফ স্পিনার। এছাড়া দলে ডাকা হয়েছে গতিতারকা খ্যাত ল্যান্স মরিসকে। দল ঘোষণার সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি বলেন, ‘দলে ঢোকার জন্য স্বল্প থেকে মধ্যমেয়াদি সুযোগ আসবে। ঘরোয়া ক্রিকেটে যারা ভালো করছে, তাদের সেরাটা দেখার জন্য তারা উন্মুখ হয়ে আছেন। তাদের মধ্যে অনেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে সপ্তাহের শেষ দিকে দারুণ একটা সুযোগ পাবে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর শুরু হবে পার্থ টেস্ট। তিন ম্যাচ সিরিজের বাকি দুটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে মেলবোর্ন ও সিডনিতে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের ক্যারিয়ার বাঁহাতি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের। রঙিন পোশাকে অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম ভরসার নাম এই বাঁহাতি ব্যাটার। যদিও সাদা পোশাকে ওয়ার্নারের জায়গাটা বেশ নড়বড়ে। অনেকদিন ধরেই টেস্টে তার ব্যাটে রান নেই। তাতে দলে জায়গা নিয়েও দেখা দেয় শঙ্কা। ২০১৯-২০ মৌসুমের পর থেকেই টেস্টে যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিকে,পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘোষিত দলকে নেতৃত্ব দিবেন নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। প্রথম টেস্টের দলে জায়গা পেয়েছেন দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ ও ক্যামেরন গ্রিন। যদিও পেস আক্রমণের নেতৃত্বে থাকছেন মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স।