ইউক্রেনজুড়ে হামলা জোরদার করেছে সামরিক দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ রাশিয়া। কিন্তু অস্ত্র ও গোলাবারুদের অভাবে যুদ্ধের ময়দানে বেকায়দায় পড়েছে জেলেনস্কি বাহিনী। মার্কিন কংগ্রেস ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের জন্য প্রস্তাবিত অর্থ সহায়তা আটকে যাওয়ায়, বাধ্য হয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে সেনা কর্মকাণ্ড কমাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনারা। বিষয়টি স্বীকার করেছেন খোদ দেশটির এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ।সম্প্রতি ইউক্রেনের কিয়েভ, ওডেসা, খারকিভ, দনবাসসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। জেলেনস্কি বাহিনীর বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন, বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে । পূর্বাঞ্চলীয় আভদিভকা শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছে রুশ সেনারা। এরইমধ্যে শহরটির কয়েক কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে পুতিন বাহিনী।ইউক্রেনীয় সেনারা পাল্টা হামলা চালালেও তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদে টান পড়েছে।সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে দেশটির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তাভরিয়া জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় সেনারা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রণক্ষেত্রে কিছু এলাকায় ‘রক্ষণাত্মক’ অবস্থানে চলে গেছে। ফলে নতুন নতুন এলাকায় অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী। এদিকে, মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রস্তাবিত অর্থ সহায়তা আটকে যাওয়াকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন জেনারেল তাভরিয়া। চলমান যুদ্ধে সেনাদের পিছিয়ে পড়ায় জেলেনস্কির সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন তিনি। আর্থিক সহায়তা আটকে গেলেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। রাশিয়ার ৬১ জন নাগরিক ও ৮৬টি প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ইইউ’র এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভলোদমির জেলেনস্কি।