আমরা যে প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতি দেখছি বা অংশ নিচ্ছি তা হলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অধীনে সরকার নির্বাচনের অপরিহার্য একটি পদ্ধতি। কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং ইসলামিক শাসন ব্যবস্থা, সম্পূর্ণ বিপরিতমুখী দুটি শাসনব্যবস্থা।
একজন সাধারন মানুষ হিসেবে চিন্তা করে দেখুন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কি বা কাকে বলে গণতন্ত্র হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রায় দ্বারা নির্মিত এক ধরনের শাসন ব্যবস্থা যা কিনা ভুল নিয়ম বা আইন হলেও শুদ্ধ হবে… যেমন:- কোন ধর্মেই মদ খাওয়া বৈধ নয়… (আল্লাহ বলেন, হে মু’মিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা উহা বর্জন কর-যাহাতে তোমরা সফলকাম হইতে পার। সূরা:মায়েদা ,আয়াত : ৯০) কিন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠের খেতে ইচ্ছে করে বলে তারা আইন বানিয়ে নিলেই তা বৈধ হয়ে যায়। কারণ, দেশের আইনি কাঠামো দ্বারা তা বৈধ করা সম্ভব। এটাই হচ্ছে গণতন্ত্র..!!!
কিন্তু যদি আমাদেরকে দাবি করতেই হয় আমরা সত্যিই মুসলিম, তবে বলতেই হবে এ নিয়ম হারাম অবৈধ কবিরা গুনাহ। যারা জেনে বুঝে কোন গণতন্ত্রের নিয়ম বা ভোট পদ্ধতির নির্বাচনকে সমর্থন করবে তারা আল্লাহর নিকট যোগ্য কিনা আসুন যুক্তি কি বলে দেখা যাক।
আল্লাহ বলেন , বিধান দিবার অধিকার কেবল আল্লাহ্র-ই
সূরা:ইউসুফ, আয়াত :৪০
খেলাফত আর গণতন্ত্র কি…!! আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যদি কোন দেশের শাসনব্যবস্থায় ধনী গরিব সবার প্রতি ন্যায় আর ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চাও তবে খেলাফত প্রতিষ্ঠা কর।যার আইনের মানদণ্ড হবে আল কোরআন্।।
যদিও এখন গণতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা দেশে দেশে চালু তবে এক শতাব্দী আগেও ছিল না এমন গণতান্ত্রিক পরিবেশ, বহু বিজ্ঞ জনেরা একমত যে, পৃথিবীর মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল উসমানী খেলাফতের সময় কালে।আজ বিশ্ব মুসলিম দেশ গুলো কুরআনকে নিজেদের দেশের সংবিধান থেকে সরিয়ে বা নিজেদের সুবিধামতো সংযোজন করার কারণে হারিয়েছে নিজেদের আত্মমর্যাদা, ভুলে গেছে প্রিয় নবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর জীবন বিধান….যার ফলে আজ ইরাক কাল আফগান তারপর ফিলিস্তিন একের পর এক সকল মুসলিম দেশগুলোকে বানিয়েছে গণতন্ত্রের দাস।গণতন্ত্র এমন এক থাবার নাম যার থেকে কোন মুসলিম দেশই শেষ পর্যন্ত রেহাই পাবেনা এটা সহজেই অনুমেয়। যেসব মুসলিম দেশ ইসলামকে সত্যিই মন থেকে ভালোবাসে তারা কখনোই গণতন্ত্রকে সমর্থন করতে পারে না কারণ গণতন্ত্র আর খেলাফত বা কোরআনের বিধান সম্পূর্ণ উল্টা আর যদি কেউ কোরআনের বিধানকে অবিশ্বাস করে তবে সেই মুসলিম নয়।।
কারণ পৃথিবী বিখ্যাত সকল জ্ঞানী ব্যক্তিরাই কোরআনে ভুল খুঁজে পাইনি ।
আল্লাহ বলেন, সূরা:বাকার ,আয়াত :দুই –এটা এমন এক কিতাব যাতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই,যারা আল্লাহকে ভয় করে এটা তাদের জন্য পথ পদর্শক।এখন আপনি চিন্তা করুন সত্যিই কি আপনি আল্লাহকে ভয় করেন ? যদি ভয় করেন তবে কি করে আপনি গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন???
আল্লাহ বলেন,
وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَن يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ ۗ وَمَن يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُّبِينًا
আল্লাহ্ ও তাঁহার রাসূল কোন বিষয়ে নির্দেশ দিলে কোন মু’মিন পুরুষ কিংবা মু’মিন নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকিবে না। কেহ আল্লাহ্ এবং তাঁহার রাসূলকে অমান্য করিলে সে তো স্পষ্ট পথভ্রষ্ট হইবে।সূরা:আহজাবের,আয়াত: ৩৬
আল্লাহ আরো বলেন……তোমরা কোন বিষয়ে সত্যকে পাশ কাটিয়ে যেও না কৌশলী হইও না আমি আল্লাহ সবচেয়ে বড় কৌশল অবলম্বনকারী।তোমরা নারী নেতৃত্বকে জায়েজ বানিয়েছ, তোমরা মদের বার,সিনেমা হল,যৌনপল্লী কে প্রয়োজন দেখিয়ে বৈধ বানিয়েছ। কিন্তু মনে রেখো,কৌশল ততদিন তোমাদের দখলে থাকবে, যতদিন তোমাদের শক্তি, সামর্থ্য, ক্ষমতা থাকবে। আর তুমি জানো এগুলোর কোনোটিই স্থায়ী নয় আজ তুমি তোমার মহান স্রষ্টার আইন কে কৌশলে সরিয়ে দুনিয়ার সাধারণ মানুষের বানানো গণতান্ত্রিক আইনকে প্রাধান্য দিচ্ছো। মনে রেখো, যেদিন তোমার দুনিয়ার ক্ষমতা শেষ হয়ে যাবে, সেদিন তোমার স্রষ্টা তোমাকে ও সেরকম তুচ্ছ মনে করাবে, যে রকম তুচ্ছ তুমি মনে কর তোমার পায়ের নিচে পিশে পড়া পিপড়া গুলোকে।।
মুসলিমদের নির্বাচন আজ থেকে ১৫০০ বছর পূর্বে পৃথিবীর মহা মানব মহা নবী (সাঃ) শিখিয়ে গেছেন, কিভাবে নেতা নির্বাচন করতে হবে, কিভাবে কোন নিয়মে সংবিধান পরিচালনা করতে হবে ,একজন যোগ্য নেতার কি কি গুণাবলী থাকা উচিত। লক্ষ্য করবেন,কোথাও নেত্রী অর্থাৎ স্ত্রীলিঙ্গ ব্যবহার করিনি ,কারণ ইসলামে কখনোই নারী পুরুষ সমান অধিকার এটা বিশ্বাস করে না,আর যৌক্তিক ও না। কারণ হাদিসে ও কোরআনে আসছে ১ জন পুরুষ সাক্ষী = দুইজন নারীর সাক্ষের সমান।
বিস্তারিত সূরা:বাকারা ,আয়াত :২৮২
এখন জ্ঞান স্বল্পতার কারণে অনেকে মনে করবেন নারীদের নিচু করা হয়েছে কিন্তু তাদের হয়তো জানাই নেই ইসলাম নারীদের সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দান করেছেন,যাদের জানা দরকার তারা ইসলামে নারীর মর্যাদা লিখে গুগলে সার্চ দিয়ে দেখুন এত বড় আলোচনা এখানে সম্ভব নয়।এতটুকু বলব একজন পুরুষ জান্নাতে যেতে যতগুলো বিধান মানার দরকার তার অর্ধেকও প্রয়োজন নেই একজন নারীর। শুধুমাত্র স্বামীর হুকুম,ফরজ নামাজ, ফরজ রোজা ,আবেদনশীল অঙ্গগুলো পূর্ণ পর্দা করাই যথেষ্ট ।এতটা সহজ করে দেওয়া হয়েছে নারীদের ক্ষেত্রেই।তাই একজন নারী এর বাহিরে কোন দায়িত্বের ভার কাঁধে নেয়া ,আর অনেক ভারী কোন ভোজা বোকার মত অনেক সময় ধরে বয়ে চলা সমান কথা ।
যদিও চাকুরী ,ব্যবসা, রাজনীতিতে সমান অধিকারের নামে শয়তান এদের প্রলোভন দেখাতেই থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত। শুধুমাত্র কয়েকটি হুকুম মেনে চললেই যেখানে জান্নাত সহজেই পাওয়া সম্ভব,সেখানে শুধুমাত্র বোকা নারীরাই বোঝা কাঁদে তুলে নিবে বাকিরা খেলাফতের বা কোরআনের বিধানকে ভোট হিসেবে গ্রহণ করবে ।।
নির্বাচনে ভোট সকলেরই নৈতিক অধিকার, ভোট মূলত সাক্ষ্য দেওয়া।একটি দেশ যিনি শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করতে পারবেন তারপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার নিয়মটাই ভোট। আপনি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে ঘোষণা দিচ্ছেন যে ইনি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী দেশকে পরিচালনা করবেন এটাই ভোট ।যদি তার কারণে দেশ ইসলামী বিধান পায় শান্তিতে থাকে তবে আপনি এর দ্বারা একটি সাওয়াব পেতে থাকবেন আর যদি তার কারণে ওই দেশের মানুষ আইনের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়, তবে যতদিন সে ক্ষমতায় থাকবে ততদিন আপনার আমলনামায় গুনাহের একটি অংশ যোগ হতেই থাকবে…..নাউজুবিল্লাহ!!
আল্লাহ বলেন,
مَّن يَشْفَعْ شَفَاعَةً حَسَنَةً يَكُن لَّهُ نَصِيبٌ مِّنْهَا ۖ وَمَن يَشْفَعْ شَفَاعَةً سَيِّئَةً يَكُن لَّهُ كِفْلٌ مِّنْهَا ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ مُّقِيتًا
যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
সূরা: নিসা ,আয়াত :৮৫,এবং সূরা:বাকারা :আয়াত ১৪০
অনেকেই মনে করে আগের পুরাতন খেলাফতের নিয়মে এখন আর কি উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব! তাইতো ডেমোক্রেসিতে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি, যেটা অনেকেই ইসলামের শুরা বোর্ডের সাথে তুলনা করে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা শুরা বোর্ডের রায় দেওয়ার অধিকার রয়েছে শুধুমাত্র, যে সকল বিষয়ে স্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা কোরআন কিংবা হাদিসে নেই।আবার যদি সেই ব্যাখ্যার বিষয়বস্তু কোন হারাম বিষয়ে হয় তবে তা বরাবরই হারাম তাতে ছোট ক্ষতি বা দেশের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও হারাম-ই।।।
অন্যদিকে ডেমোক্রেসি পার্লামেন্টের সংসদ সদস্য যে কেউ হতে পারে যেমন একজন সৃষ্টিকর্তা অবিশ্বাসী নাস্তিক, দুর্নীতিবাজ, অশিক্ষিত, নির্বোধ( যার অন্যের ক্ষতি দেখেও চুপ থাকার কারণে বড় কোন জবাবদিহিতা থাকে না)। পক্ষান্তরে সূরা কমিটির সদস্য হতে হলে ফিকহা ইলম পূর্ণ রূপ, সচেতন ব্যক্তি, ভালো চরিত্রের সর্বোচ্চ মান থাকতে হবে।
আল্লাহ বলেন,
وَالَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِرَبِّهِمْ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ
যারা তাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য করে, নামায কায়েম করে; পারস্পরিক পরামর্শক্রমে কাজ করে এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে,,,সূরা:শুরা,আয়াত ৩৮
তবে বলছিনা একদিনেই এই গণতন্ত্র ডেমোক্রেসি সমাজতন্ত্র সব মুসলমানেরা বিশ্ব থেকে মুছে ফেলতে পারবে। কারণ আল্লাহ বলেন,ওরা বলে, ‘আনুগত্য করি’, অতঃপর যখন তাহারা তোমার নিকট হইতে চলিয়া যায় তখন রাত্রে তাহাদের একদল যাহা বলে তাহার বিপরীত পরামর্শ করে। তাহারা যাহা রাত্রে পরামর্শ করে আল্লাহ্ তাহা লিপিবদ্ধ করিয়া রাখেন। সুতরাং তুমি তাহাদেরকে উপেক্ষা কর এবং আল্লাহ্র প্রতি ভরসা কর; কর্মবিধায়ক হিসাবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট।সূরা:নিসা, আয়াত :৮১
১২০০ বছর খেলাফতের শাসন পৃথিবী জুড়ে চলাকালেও যুদ্ধ চলেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার জন্য,শেষমেশ তারা তাদের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা কায়েম করে সারাবিশ্বে শান্তির নামে অশান্তি ছড়িয়েছে আর মুসলিমদের উপর ১২০০ বছরের শাসনের প্রতিশোধ স্বরূপ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে মৌলবাদী জঙ্গিবাদী তকমা অথচ শান্তির নামে ইতালি যখন লিবিয়ার জনগণ বা মিশরের জনগণকে গণহত্যা করেছিল তখন কোথায় ছিল গণতন্ত্রের স্বাধীনতা? বা ইসরাইল যখন ফিলিস্তিনি নিরীহ মানুষকে মসজিদে মেরে ফেলে বা আমেরিকা যখন আফগান বা ইরাকে বৃষ্টি বোমা বর্ষণ করে ,তখন গণতন্ত্র তাদের স্বার্থেই ব্যবহার হয়। আর বাঁচার জন্য প্রতিবাদ করাটাই হয়ে ওঠে আইএস জঙ্গি ইত্যাদি ।এই স্বাধীনতা নামক গণতন্ত্র আমার দেশে কায়েম হোক আমি একজন ইসলাম বা শান্তির ধর্মের লোক হিসেবে চাইনা আপনি কি চান?কারণ আজ না হয় কালতো মরতেই হবে…..হে মুসলিম দাবি করা প্রাণপ্রিয় মুসলিম উম্মাহারা জোয়ারের সাথে ভেসে না যেয়ে বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন যা করছেন ঠিক করেছেন?? যদি মনে করেন ভুল পথে আছেন তবে জোয়ারে গা ভাসিয়ে না দিয়ে ঈমানের সর্বনিম্ন দায়িত্ব গুলোর একটি পালন করুন (মন্দ কাজকে ঘৃণা করুন)
আল্লাহ কোরআনে বলেন,كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ ۗ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُم ۚ مِّنْهُمُ الْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُونَ
তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যানের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে। আর আহলে-কিতাবরা যদি ঈমান আনতো, তাহলে তা তাদের জন্য মঙ্গলকর হতো। তাদের মধ্যে কিছু তো রয়েছে ঈমানদার আর অধিকাংশই হলো পাপাচারী সুরা: ইমরান-১১০।আল্লাহ আরও বলেন.…… সূরা : আসর,আয়াত ১-৩ পর্যন্ত।
আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক আমিন…..।।।
এম.এইচ বিল্লাল, ইসলামিক লেখক