বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার জমিরদিয়া মাষ্টারবাড়ী ও সন্ধ্যা ৭টার দিকে একই উপজেলার কাশর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন- দিনাজপুরের বিরল উপজেলার গাগড়াগাতি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সাগর ইসলাম (২১) এবং তার স্ত্রী নূপুর আক্তার (২০)। নূপুর আক্তার নেত্রকোনার মদন উপজেলার ইন্দারপুর গ্রামের সুধু মিয়ার মেয়ে।
তাঁরা দুইজন স্থানীয় ক্রাউন ফ্যাক্টরীতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
মৃত আরেকজন হলেন সোনালী আক্তার (১৮)। তাঁর স্বামীর নামও সাগর। তাঁরাও স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। সোনালী কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার মহিনন্দন গ্রামের বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক । তিনি বলেন, গত দুই মাস আগে সাগর ও নূপুর দম্পতি জমিরদিয়া মাষ্টারবাড়ী এলাকায় ভাড়া থেকে ক্রাউন ফ্যাক্টরীকে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। সন্ধ্যায় দুইজন ফ্যানের সঙ্গে আলাদা ওড়না প্যাচিয়ে আত্নহত্যা করেন। স্থানীয়রা ঘটনাটি জানতে পেরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাশর এলাকায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাচিয়ে আত্নহত্যা করে সোনালী। থানায় খবর পেয়ে ওই মরদেহও উদ্ধার করে পুলিশ। মারা যাওয়া তিনজনেই নিঃসন্তান। তাঁরা পারিবারিক বিরোধে আত্নহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে